Saturday, 19 October 2013
Sunday, 15 September 2013
বিশ্ব বসতি দিবস ২০১৩
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের
প্রথম সোমবার জাতিসংঘের মনোনীত 'বিশ্ব বসতি দিবস' উতযাপন করা হয়। সবার জন্যে বাসস্থান
নিস্শ্চিত করনের মাধ্যমে মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ - নগরায়ন
ও শহরে জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপ এবং তা মোকাবেলা করার জন্যে পরিকল্পনার উন্নতির বিষয়ে
সকলের সচেতনতা বাড়ানো এখন আমাদের মূল লক্ষ্যগুলোর একটা হওয়া উচিত।
বিগত বছরগুলোতে সরকারিভাবে বেশকিছু
নগর উন্নয়ন মূলক আইন প্রনয়ন করা হয়েছে। বেসরকারী
উদ্যোগতাদের দিক থেকে সেই সকল আইন প্রতিপালন পূর্বক ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়া
ছাড়া গঠন মূলক এবং উদ্ভাবনী পরিকল্পনা গ্রহনের উল্লেখযোগ্য উদাহরণের অভাব রয়েছে। বাস্তবায়নের কাঠামোগত পরিবেশ সৃষ্টি না হলে গৃহীত
উদ্যোগগুলো বিফলে যেতে পারে।
আমাদের মাঝে ' বিশ্ব বসতি দিবস ' পালনের যে উদ্যোম পরিলিক্ষিত
হয় তা শুধুমাত্র দিবসের জন্যে মনোনীত দিনটি ছাড়া সারাবছর বছরের কার্যকলাপের সাথে একাত্ব
করতে পারলে ভালো কিছু আশা করা যেতে পারে। আমরা
যা কিছু করতে চাই তার সবকিছুর মূলে রয়েছে একটি সঠিক পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন। দেশকে আমরা প্রত্যেকেই খুব ভালবাসি, তাই কম বেশি
উন্নয়ন পরিকল্পনা সকলেই নিজ আঙ্গিকে লালন করি।
শুধু অভাব রয়েছে এগুলো সুসংগঠিত ভাবে সমন্নয় করার । প্রত্যেকের আলাদা আলাদা
চিন্তা ভাবনা কার্যত নিজক্ষেত্রে উন্নয়নে কোনো কোনো সময়ে যথেষ্ট কিন্তু সামগ্রিক ভাবে
জাতীয় উন্নয়নে তার প্রভাব সীমিত।
আমাদের দেশে সরকারী ভাবে গৃহীত উদ্যোগগুলোর
মাঝে সংগত কারণেই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এরপর তা আরো প্রভাবিত হয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং
বিভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপট দ্বারা । রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আমাদের আরেকটি বড় বাধা
হয়ে দাড়ায়। সব কিছুর পরও বেসরকারী উদ্যোগ সব সময় প্রসংসা কুড়িয়েছে। আমাদের মতে চলমান
নগরায়ন প্রক্রিয়া উন্নতি সাধনের জন্যে বেশ কিছু পরিবর্তন তথা পরিবর্ধন আনা যেতে পারে। সরকারী উদ্যোগ ও বেসরকারী কার্যকলাপের মাঝে সম্প্রীতি
রেখে গঠনতন্ত্রের আমূল পরিবর্তন এনে উন্নয়নের নতুন দিক নির্দেশন সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিপূর্ণ আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে
যে সকল সুযোগ সুবিধা প্রয়োজন তা সরকারই প্রদান করার অঙ্গিকার করতে পারে। সেই লক্ষে,
বসতি স্থাপনের উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবে সরকার । জমি নির্বাচন, তার উন্নয়ন ও অধিগ্রহনের
সকল কাজ সরকার কতৃক সম্পন্ন হবে যার পেছনে কাজ করবে একটি বড় দায়ীত্তবোধ। মানুষের কাছে , জনগনের কাছে সকল সুযোগ সুবিধা দেয়ার
জন্যে সরকার থাকবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। অন্যদিকে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান / উদ্যোগতাদের
সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নিমিত্তে ব্যবহার করা যেতে পারে। তা অবশ্যই করতে
হবে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়ীক সার্থ সম্পর্কিত দিকগুলো বিবেকনায় রেখে। এ জন্যে উক্ত জমিগুলোতে প্লট আকারে ভাগ করে অথবা
আধুনিক ভবন নির্মান করে বিক্রয় করা ইত্যাদি তাদের দেয়া যেতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী
কর্ম পরিচালিত হচ্ছে কিনা দেখার জন্যে সরকার তত্ত্বাবধায়ক বা পরিদর্শক এর ভূমিকায় থাকতে
পারে। জনগনের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে
তথা আধুনিক ভবন বা প্লট ইত্যাদি সকল সুবিধা প্রদানের নিমিত্তে জমি অধিগ্রহনের
পরিকল্পনা সরকার করলে জমির মালিকানা, দখল, ক্রয় -বিক্রয় সংক্রান্ত প্রচলিত জটিলতা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি। উক্ত পদক্ষেপ আরেকদিকে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর
কাজের মান ও মুনাফাও নিশ্চিত করতে পারবে।
১৯৮৬ সাল থেকে এই দিবসটি পালন করা শুরু
হয়। প্রথম বছরের প্রথম স্লোগান ছিল ' Shelter is my right' । আমাদের সেই স্লোগানের
বাস্তবায়ন নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। আশ্রয়ের যথেষ্টতা
মানুষের অধিকার, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে নিশ্চিত ও নিশ্চিন্ত বাসস্থান প্রস্তুত করা
আমাদের নৈতিক দায়ীত্ব। এই দায়ীত্বের সঠিক পদক্ষেপ
হয়ত নিয়ে যাবে আমাদের সুন্দর কোনো ভবিষ্যতের বাংলাদেশে।
Tuesday, 10 September 2013
কিছু লিখতে হয়
রিক্সা করে ঘুরে বেড়াচ্ছি, আমার মেয়ে চকলেট খেতে খেতে বললো "বাবা ময়লার গাড়ি কোথায় ?". আমার মেয়ের বয়স ৩ বছর, চকলেট এর মড়ক কাগজটা ও রাস্তায় না ফেলে হাতে রেখেছে, ডাস্টবিন বা সিটি কর্পোরেশন এর ময়লার গাড়ি দেখলে সেখানে ফেলবে। কেমন যেন অনুভব হলো, আমার দেয়া শিক্ষা কাজ করতে শুরু করেছে। দেশের প্রতিটা শিশু যদি আমার সন্তান হতো, দেশটাকে যেভাবে দেখতে চাই হয়ত সেভাবেই দেখতে পেতাম। আচ্ছা, আমার মত করে দেশটাকে দেখতে চায় এ রকম লোকের সংখ্যা কত ? না, কম হবে না। এত্ত কিছু ঘটে যাচ্ছে, এর মাঝেও চমকের শেষ নাই। আমাদের আসলেই কিছু একটা করতে হবে। আমরা নই তো কারা ? দেশটা তো আমারই, আমরাই বাংলাদেশ।
Subscribe to:
Posts (Atom)